খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১১

কুমারিত্ব হারাচ্ছে বৃটিশ মেয়েরা

বৃটেনের এক চতুর্থাংশ মেয়েই অপরিণত বয়সে যৌনকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। শুক্রবার এক জরিপে প্রকাশিত এ ফলাফলে রক্ষণশীল বলে পরিচিত বৃটেন বেশ স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারী ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ২৭ শতাংশই স্বীকার করেছেন যে, সম্মতি দেয়ার মতো বয়সে পদার্পণ করার

গির্জায় যৌন-নিপীড়ন

নেদারল্যান্ডের ক্যাথলিক চার্চগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি শিশুকে যৌন নিপীড়নের প্রমাণ পেয়েছে এ সংক্রান্ত তদন্তের জন্য গঠিত কমিশন। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার জন্য আসা শিশুরা গির্জার যাজক, পাদ্রি ও কর্মচারীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়। শুক্রবার সাবেক ডাচ শিক্ষামন্ত্রী ও ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেট

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

সাতজন মেয়ের


প্রকৃতির নিয়মে সন্তান ধারণের কথা নারীদেরই। কিন্তু এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এক পুরুষের পেটে পাওয়া গেছে এক ‘সন্তান’-এর খোঁজ। আবদুল মালেক (৪০) নামের ওই ব্যক্তির পেটে শিশুসন্তানটি জীবিত আছে, তবে পরীক্ষায় শিশুর হাত-পা, চোখ ও মেরুদণ্ড দেখা গেছে। মাথা পুরোটা নেই, এক পাশ দেখা যায়। বগুড়ার
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সকেরা আজ বুধবার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
চিকিত্সকেরা বলছেন, এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। প্রতি পাঁচ লাখে এমন একজন রোগী পাওয়া যায়। চিকিত্সাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ফিটাস ইন ফিটু’। ‘ফিটাস’ মানে একটি বাচ্চার সঙ্গে আরেকটি বাচ্চা। একটি ভ্রূণ আরেকজনের শরীরের মধ্যে ঢুকে গেছে। সোজা কথায়, মালেক যখন মায়ের গর্ভে ছিলেন, তখন যমজ বাচ্চা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্য বাচ্চাটি মালেকের পেটে চলে গেছে।
চিকিত্সকেরা জানান, বিশ্বে এ ধরনের ৯০ জন রোগীর সন্ধান মিলেছে। অনলাইন তথ্যকোষ উইকিপিডিয়া ও ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যমতে, ১৯৯৯ সালে ভারতের নাগপুরে সঞ্জু ভগত নামে ৩৬ বছর বয়সী এমন এক রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল, যিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর যমজকে নিজের পেটে বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। ভারতের সঞ্জু ভগতের সঙ্গে শিবগঞ্জের মালেকের বেশ মিল রয়েছে বলে ওই চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, মালেকের বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাটা ইউনিয়নের মিরাপুর গ্রামে। গত ২৮ এপ্রিল তিনি পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন। তাঁর পেট প্রসূতি নারীদের মতো ফোলা। হাসপাতালে ভর্তির পর টিউমার ভেবে চিকিত্সকেরা তাঁর আলট্রাসনোগ্রাম করেন। তেমন কিছু না পেয়ে অন্য এক পরীক্ষায় দেখা যায়, মালেকের পেটের মধ্যে পাকস্থলির পেছনে শিশুর অস্তিত্ব। তবে শিশুটি অপরিপক্ব।
আবদুল মালেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা চার ভাই, এক বোন। তিনি ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই তাঁর পেট সামান্য বড় ছিল। তখন থেকেই কাজকর্ম করতে গেলে কিছু সমস্যা হতো। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পেট ফুলতে থাকে। তাই তিনি কাজ করতে পারতেন না। পেটে প্রচণ্ড জ্বালা-যন্ত্রণা হতো। অনেকবার গ্রামের চিকিত্সকদের কাছে গেছেন। সবাই ব্যথার ওষুধ দেন। এবার ব্যথা বেশি হওয়ায় এখানে এসেছেন।
মালেকের মামা মিরাপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, ছোটবেলা থেকেই মালেককে দেখে আসছেন। বছর বিশেক আগে তাঁর পেটের এক পাশ শক্ত ছিল, অন্য পাশ ছিল নরম। ধীরে ধীরে পুরো পেট শক্ত ও বড় হয়ে যায়। বছর পাঁচেক আগে বিয়েও করেছিলেন তিনি। তবে মালেকের মানসিক সমস্যার কারণে দাম্পত্য জীবন দুই বছরের বেশি টেকেনি।
হাসপাতালের গ্রন্থাগার কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শজিমেকের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ কে এম মাসুদুর রহমান জানান, মালেক মানসিক প্রতিবন্ধী। তাঁর শরীর থেকেই ভেতরের শিশুটি খাবার পাচ্ছে। যে কারণে তিনি পুষ্টিহীনতায় ভুগছেন। এক প্রশ্নের জবাবে মাসুদুর রহমান জানান, মালেককে সুস্থ করে তুলতে হলে অপরিপুষ্ট শিশুটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করতে হবে। তাঁর জানামতে, বছর কয়েক আগে ঢাকায় এমন একজন রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল।

আবারও হিন্দু মেয়ে ধর্ষন


প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার চৈতাজান এলাকায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেয়েটি ও তার স্বজনদের অভিযোগ, হুমকি দিয়ে নেশাদ্রব্য খাওয়ানোর পর তাকে ধর্ষণ করে স্থানীয় বখাটে মো. শাহজামাল (১৯)। 
পরে তার মাথা ন্যাড়া করে বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ধর্ষক। ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন পর মেয়েটির জ্ঞান ফেরে।
শাহজামাল এবার কুমরী তেঘরিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষা দিয়েছে। চৈতাজান এলাকায় তার একটি মুদি দোকান রয়েছে। ঘটনার পর সে পালিয়ে গেলেও পুলিশ তার মা শরুফা বেগম ও দুই মামা আয়নাল হক এবং সৈয়দ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি শ্রীবরদীর ঘুনাপাড়া গ্রামের এক কৃষকের সন্তান। কুমরী কাটাজান বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সে লেখাপড়া করছে। সম্প্রতি মেয়েটি স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে চৈতাজান এলাকার শাহজামাল তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে গত ২০ জুন সকালে সে অস্ত্রের মুখে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে তার দোকানে নিয়ে যায়। হিন্দু পরিবারের সদস্য মেয়েটিকে সে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একটি কেক খেতে বাধ্য করে। এর পরপরই চেতনা হারায় মেয়েটি। শাহজামাল এরপর তাকে ধর্ষণ করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। তিন দিন পর অচেতন অবস্থাতেই মেয়েটিকে তার বাবার বাড়ির আঙিনায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় শাহজামাল। সে সময় স্কুলছাত্রীর পরনে নিজের পোশাকের পরিবর্তে ছিল ছেলেদের টি-শার্ট ও প্যান্ট।
এদিকে নিখোঁজ মেয়ের জন্য মা-বাবা বিভিন্ন জায়গায় সন্ধান চালিয়ে একপর্যায়ে হতাশ হয়ে পড়েন। তিন দিন পর তাকে বাড়ির আঙিনায় অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এর দুদিন পর গত শনিবার জ্ঞান ফেরার পর অপহৃত হওয়ার কথা জানায় মেয়েটি। ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কেও তখন নিশ্চিত হওয়া যায়।
নির্যাতিত স্কুলছাত্রীর বাবা গত রবিবার শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় শাহজামাল, তার ভাই সুরুজ্জামান, বাবা মতিউর রহমান, মা শরুফা বেগম এবং দুই মামাসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ এরপর রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায়। অন্যদিকে শেরপুর সিভিল সার্জন অফিসে সোমবার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।
শাহজামাল এবং তার পরিবারের লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তারা সংখ্যালঘু স্কুলছাত্রীর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় জ্ঞান ফেরার পর থেকে অস্বাভাবিক আচরণ করছে ছাত্রীটি। নিরাপত্তার স্বার্থে সে এখন শেরপুর শহরে মামার বাড়িতে রয়েছে।
মেয়েটির কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে কালের কণ্ঠকে সে বলে, 'গত ২০ জুন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে শাহজামাল আমাকে অস্ত্রের মুখে তার দোকানে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে হাতের ছুরি দেখিয়ে সে আমাকে একটা কেক খেতে বাধ্য করে। কেক খাওয়ার পর আমি আর কিছু বলতে পারি না। পরের শনিবার জ্ঞান ফিরে আমি নিজেকে আমাদের বাড়িতে দেখি। আমার কাঁধ পর্যন্ত চুল ছিল, সেটা কেটে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়েছে। পরনের সাদা থ্রিপিসের পরিবর্তে ছেলেদের পোশাক পরিয়ে বাড়িতে ফেলে রেখে যায় শাহজামাল। সে আমার জীবনের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে।'
চৈতাজানি, ঘুনাপাড়া ও কুমরী কাটাজান এলাকার লোকজনের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার কথা বলে জানা যায়, এর আগে কান্দাপাড়া এলাকার এক মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে গ্রাম্য সালিসে শাহজামালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। সে বখাটে এবং স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করত। কুমরী কাটাজান বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এস এম মোখতারুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, '২০ জুনের ঘটনাটি লোমহর্ষক। আমরা দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। মেয়েটিকে নির্যাতনের ঘটনার পর অন্য অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।'
শ্রীবরদী থানার ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, 'আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত করছি। বখাটের মা ও দুই মামাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার মূল হোতাকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।' শেরপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চন্দন চক্রবর্ত্তী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ভিকটিমের পাকস্থলি থেকে নেশাদ্রব্যের নমুনা সংগ্রহ করে মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। তা ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি করতে দেরি হওয়ায় ধর্ষণের ঘটনাটি নিশ্চিত হতে বেশ কয়েকটি প্যাথলজি পরীক্ষা করা হয়েছে।'
শেরপুর জেলা মহিলা পরিষদ ও জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

পরিমলের অশ্লীল ভিডিওচিত্রের সন্ধানে পুলিশ

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে আটক ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক পরিমল জয়ধরের অশ্লীল ভিডিওচিত্রের সন্ধান করছে বাড্ডা থানা পুলিশ। পরিমল আটক হলেও তার ওই ভিডিওচিত্র উদ্ধার না হওয়ায় তা সবার হাতে হাতে পেঁৗছে যাওয়ার আশঙ্কা করছে পুলিশ। ভিডিওচিত্রটি

উদ্ধার ও মামলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পরিমল জয়ধরকে আদালতের মাধ্যমে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বাড্ডা থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসএম শাহাদাত হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম শামীমা পারভীন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ভিকারুননিসা নূন স্কুল বসুন্ধরা দিবা শাখার বাংলা বিভাগের এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ক্যাম্পাসের এক শিক্ষার্থীর বাবা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিমলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন সময় প্রার্থনা করেন। গতকাল তাকে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে পরিমলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কিশোর রঞ্জন মণ্ডল। ঢাকার কেরানীগঞ্জের আমীরাবাদ গ্রামে এক
আত্মীয়ের বাসা থেকে বুধবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে পরিমল ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যোগ দেন।
বাড্ডা থানার এসআই এসএম শাহাদাত হোসেন জানান, অভিযোগকারী দশম শ্রেণীর ছাত্রীর অশ্লীল ভিডিওচিত্রের সন্ধানে পরিমলের বাসাসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। তার ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল সেটের একটি উদ্ধার করা হয়েছে। অশ্লীল ভিডিওচিত্র কোথায় রয়েছে, সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই ভিডিওচিত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করছেন, যে সেটটি দিয়ে ছাত্রীর নগ্ন চিত্র ধারণ করেছিল পরিমল, সেই সেটটি আগেই লুকিয়ে ফেলেছে সে। এখন মোবাইল ফোনের ব্লু-টুথের মাধ্যমে তা ভিকারুননিসার ১৬ হাজার ছাত্রীর হাতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তা অভিভাবক, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের হাতে হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি ঠেকাতেই পুলিশ ওই অশ্লীল ভিডিওচিত্রের সন্ধান করছে।
পরিমলের সাবেক সহকর্মীরা জানান, পরিমল তার স্ত্রী ও পুত্রসন্তানকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ২৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর ভাড়া বাসায় রাখতেন। তিনি নিজে একা থাকতেন বাড্ডা এলাকায়। এক সন্তানের জনক হয়েও ছাত্রীদের কাছে অবিবাহিত বলে পরিচয় দিতেন। পুলিশ গতরাতে উত্তরার ওই বাসায়ও ভিডিওচিত্রের সন্ধানে হানা দিয়েছে।
এদিকে, দু'দিনের হরতালের কারণে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সব শাখার ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববারের রুটিনে শনিবার সম্পূরক ক্লাস নেওয়ার পূর্ব সিদ্ধান্ত তারা বাতিল করেছে।